নতুন শিক্ষাক্রম অনুমোদন দিয়েছে সরকার, জানিয়েছেন মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি!
এক পলকে দেখে নিন পুরোটা:
>> ২০২৩ সাল থেকে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সপ্তাহে (শুক্র ও শনিবার) দু’দিন ছুটি থাকবে।
>> পিইসি ও জেএসসি পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। অর্থাৎ, দশম শ্রেণির আগে কোনো কেন্দ্রীয় বা পাবলিক পরীক্ষা নেই।
>> তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্তও কোনো পরীক্ষা থাকবে না।
>> চতুর্থ শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ৪০ আর একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে ৩০ শতাংশ মূল্যায়ন হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে।
>> বিজ্ঞান, মানবিক ও বিজনেস স্টাডিজ বলতে মাধ্যমিকে কোনো বিভাগ থাকবে না। এটি চালু হবে এইচএসসিতে।
>> দশম শ্রেণির পাঠ্যসূচির উপরই বোর্ড পরীক্ষায় এসএসসির ফল হবে।
>> প্রাক্-প্রাথমিকের শিশুদের জন্য আলাদা বই থাকবে না, শিক্ষকেরাই শেখাবেন।
>> প্রাথমিকে পড়তে হবে আটটি বই।
>> নতুন শিক্ষাক্রমে প্রাক্-প্রাথমিক থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ১০ ধরনের শেখার ক্ষেত্র ঠিক করা হয়েছে।
এগুলো হলোঃ-
১) ভাষা ও যোগাযোগ,
২) গণিত ও যুক্তি,
৩) জীবন ও জীবিকা,
৪) সমাজ ও বিশ্ব নাগরিকত্ব,
৫) পরিবেশ ও জলবায়ু,
৬) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি,
৭) তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি,
৮) শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য এবং সুরক্ষা,
৯) মূল্যবোধ ও নৈতিকতা
১০) শিল্প ও সংস্কৃতি।
জানতে চাইলে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের সদস্য (কারিকুলাম) অধ্যাপক মশিউজ্জামান সোমবার বলেন, নতুন কারিকুলামের খসড়া পূণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দিয়েছে। এখন এটি বাস্তবায়নে আর কোন বাঁধা নেই। আগামী বছর থেকে ধাপে ধাপে তা বাস্তবায়ন করা হবে। বর্তমানে মাধ্যমিকের পাইলটিং ক্লাস চলছে। সেসব বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। শিক্ষামন্ত্রী নিজেও কযেকটি বিদ্যালয়ে গেছেন। ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষকদের অনুরোধ করে সেসব বিদ্যালয়ে পাঠিয়েছিলেন। সকলে ইতিবাচক বলে জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, নতুন কারিকুলামের ভাষাগত কয়েকটি বিষয় ছাড়া তেমন কোন পরিবর্তন আনা হয়নি। সকলে সেটি অনুমোদন দেয়ায় সেটিকে চূড়ান্ত করা হয়েছে। সে কারণে আজকের সভা আয়োজন করা হয় বলেও জানান তিনি।
সভায় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবু বকর ছিদ্দীক, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম, জাতীয় বিশ^বিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মশিউর রহমান, বিভিন্ন বিশ^বিদ্যালয়, কলেজ ও বিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রমুখ।

0 Comments